• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

অসুস্থ শিশুরা ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২২ জুন ।। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, যেসব শিশুরা অসুস্থ রয়েছে তারা চলমান ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ক্যাপসুল খাবে না। সেসব শিশু সুস্থ হওয়ার পর খাবে। শুধু তাদের জন্য আগামী ১০ দিন এ প্রক্রিয়া চালু থাকবে।আজ শনিবার ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন।

তিনি বলেন, সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতাল, স্কুলবাস ট্রেন, লঞ্চ ও ফেরিঘাটসহ বিভিন্ন জনসমাগম স্থলে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টিকাকেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। শিশুদের অবশ্যই ভরা পেটে এই টিকা খাওয়াতে হবে এবং অসুস্থ অবস্থায় খাওয়ানো যাবে না। অসুস্থ অবস্থায় খাওয়ালে শরীরের অন্যান্য প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে। তাই তাদের জন্য আগামী ১০ দিন টিকা খাওয়ানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে সেটা শুধুমাত্র অসুস্থ শিশুদের জন্য। সুস্থ শিশুর অবশ্যই আজকের ভেতরে টিকা খাওয়া সম্পন্ন করবে। এ জন্য আমাদের ২ লাখ ৮০ হাজার কর্মী সারাদেশে নিয়োজিত রয়েছে। তাছাড়া পাহাড়ি অঞ্চলে বা একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ৩ দিন ধরে এ টিকা খাওয়ানোর কার্যক্রম চলবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এবারের ক্যাপসুলের মান নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। দেশে-বিদেশে একাধিকবার এসব ক্যাপসুল পরীক্ষা করা হয়েছে। মানুষের জনসচেতনতা বাড়ার কারণে বর্তমানে রাতকানা রোগ একেবারেই কমে গেছে। যখন এই ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু করেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন রাতকানা রোগের হার ছিল ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে মাত্র ০ দশমিক ৪ শতাংশ।

দেশবাসীর উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর পাশাপাশি ৬ মাস বয়স পর্যন্ত অবশ্যই মায়ের বুকের দুধ খাওয়াবেন এবং ৬ মাস পর থেকে সুষম খাদ্য খাওয়াবেন। সুষম খাবারের অভাবে অনেক শিশুর মৃত্যু ঝুঁকিতে পড়ছে। এছাড়া বর্ষাকাল এসেছে। বাংলাদেশ পানিতে ডুবে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ সংখ্যক শিশু মারা যায়। তাই সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। এ ছাড়া ডায়রিয়া ও ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা আরও বাড়াতে হবে।

এর আগে বেলুন উড়িয়ে ও শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে এ ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করা হয়।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একই বিভাগের অতিরিক্ত সচিব পারভীন আক্তার, জাতীয় অধ্যাপক ডা. সাহেলা খাতুন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পুষ্টিসেবা বিভাগের লাইন ডিরেক্টর এসএম মুস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ